এই পোস্টে আমি সম্পূর্ন পার্থক্য তুলে ধরবো ব্লগিং এর জন্য Blogger নাকি Wordpress কে বেছে নিবেন।

In fact: আমি বেছে নিয়েছি Wordpress যা আমাকে ৭১ সার্চ ট্রাফিক দিতে সক্ষম হয়েছে।




আপনি যা শিখতে পারবেনঃ

  • Blogger and WordPress introduction
  • Blogger and WordPress এর interface.
  • Blogger and WordPress price plan.
  • Blogger and WordPress SEO.
  • Blogger and WordPress control
  • Blogger and WordPress theme and other features
  • Ease to use 
  • Support

And more.

If you want to build your blog next level then You'll love this guide.

Let's dive.

Blogger and WordPress introduction

Blogger.


Blogger মানে blogspot গুগলের একটি মুক্ত প্ল্যাটফর্ম যেখানে যে কেও যখন ইচ্ছে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবে।

গুগল এর ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম টি non hosted হওয়ার কারনে এখানে অনেক কিছুর উপর আপনার নিজের কন্ট্রোল থাকে না।

Trend builtwith এর তথ্য মতে, এখন পর্যন্ত blogger এ ৬০৬,৬৮৬ টি ওয়েবসাইট লাইভ আছে।



বাংলাদেশ থেকে ১৬৫ টি ওয়েবসাইট লাইভ আছে।

কেন এই নিয়ে নিচে আমি আলোচনা করেছি।

Wordpress

ওয়ার্ডপ্রেস যেহেতু দুইটি ভার্ষনে পাওয়া একটি Self hosted and আরেকয়ি Non hosted তাই এইটা বোঝার দরকার আছে। 

 Self hosted wordpress হলো যেখানে একটি পোস্ট করা থেকে শুরু করে পুরো এক্সেস টি আপনার হাতে থাকবে।

কিভাবে self hosted একটি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট তৈরি করবেন এই নিয়ে পূর্বে আমি একটি পোস্ট পাবলিশ করেছি।

Self hosted ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট এর ওয়েব লিংক হলো Www.wordpress.org.

Non hosted ওয়ার্ডপ্রেস হলো ব্লগার এর মত।

যেমন অনেক কিছুর এক্সেস আপনার হাতে থাকবে না।

যেহেতু আপনার ওয়েব ডাটা গুলো তারা হোস্ট করে থাকে তাই তারা তাদের ads গুলো আপনার ওয়েবসাইট এ দেখাতে থাকে।

এবং Non hosted wordpress এ আপনি কোনো ধরনের প্লাগিন ব্যবহার করতে পারবেন।

Theme এর মধ্যে আছে স্বল্পতা। 

Overall self is best for everyone.

Trend builtwith এর তথ্য মতে, Self hosted wordpress এ এখন পর্যন্ত ৩৩,১১৪,৩৭৯ টি ওয়েবসাইট লাইভ আছে।




বাংলাদেশ থেকে ১৫,০৫৭ ওয়েবসাইট লাইভ আছে।

Blogger and WordPress এর interface


Blogger Interface.


আপনি যখন একটি Gmail একাউন্ট দিয়ে ব্লগার এ ওয়েবসাইট তৈরি করবেন তখন এরকম একটি ইন্টারফেইস দেখতে পাবেন।

এখানে পোস্ট করতে গেলে আপনি এরকম দেখতে পাবেন।



আমার কাছে খুব একটা ভালো লাগে নাই ইন্টারফেইস টি।

পোস্ট এর জন্য খুবই সামান্য ব্যাসিক কিছু Integration দেওয়া আছে।

যেমন লিংক যোগ করা, ছবি যোগ করা, ভিডিও যোগ করা, হেডলাইন এবং লিস্ট এই কয়েকটি কাজ করতে পারবেন।




এর জন্য আপনি থার্ড পার্টির কোনো app ব্যবহার করতে পারবেন না।

পেইজ যোগ করার জন্য পোস্টের মতই কিছু বৈশিষ্ট্য দেওয়া আছে।




থিম ডিজাইন, stats এবং কমেন্ট নিয়ে আরো কিছু সেকশন দেওয়া আছে। 




ডিজাইন এর মধ্যে আছে খুবই স্বল্পতা।

আপনি যদি কোডিং জানেন তাহলে এর কিছু পরিবর্তন করতে পারবেন।

ভালো থিম পাওয়া এখানে খুবই হার্ড।

তবে কিছু পেইড থিম ভালো ডিজাইন এর সুযোগ দিয়ে থাকে।

Overall it's best for those who know web coding.

WordPress


ওয়ার্ডপ্রেস এ আছে খুবই সুন্দর একটি ইন্টারফেইস।

ওয়ার্ডপ্রেস Drag and drop ওয়েবসাইট builder হওয়ার কারনে আপনি সব কিছু edit করতে পারবেন Canva app এর মত।




প্রথমেই যদি পোস্ট এর ইন্টারফেইস টি দেখানো হয় তাহলে আপনি দেখতে পাবেন কোনো প্রকার প্লাগিন ছাড়াই আছে অনেক কিছু যোগ করার সুযোগ।




উল্লেখযোগ্য কিছু ফিচার হলো, Table, grid picture, headlines, parmalinks edit, tag, categories, এবং thumbnail image এবং আরো অনেক কিছু যোগ করতে পারবেন।



এরপরে পেইজে আপনি same কিছু integration দেখতে পারবেন।




কন্টেন্ট ডিজাইন এর জন্য রয়েছে থার্ড পার্টি প্লাগিন যা দ্বারা খুব সহজেই Drag and drop customization করে পেইজ, product landing page তৈরি করতে পারবেন।

Settings থেকে আপনি আপনার permalinks কে এসইও ফ্রেন্ডলি করে নিতে পারবেন।




হোম পেইজ কোনটা থাকবে সেটা নির্বাচন করতে পারবেন।




এছাড়াও পোস্ট পেইজে কতগুলো পোস্ট দেখাবে তা সেট করে নিতে পারবেন।

এছাড়াও পোস্ট এর কুইক edit এই অপশন থেকে আপনার পোস্ট এর লিংক, categories, tag,  and link কে পরিবর্তন করতে পারবেন।




দেখতে পারবেন প্রতিটা পোস্ট এর এসইও স্কোর।




ওয়ার্ডপ্রেস Dashboard থেকে কোনো প্লাগিন অথবা থিম এর আপডেট প্রয়োজন হলে একটি ক্লিক করে সব গুলো আপডেট করে নিতে পারবেন।




সব থেকে ভালো একটি দিক হলো আপনি চাইলে আরো যারা আপনার ওয়েবসাইট এ লিখতে চায় তাদের কে যোগ করতে পারবেন।




আবার যখন ইচ্ছা বাদ দিয়ে দিতে পারবেন।

পুরো কন্ট্রোল টা আপনার হাতেই থাকবে।
 

Blogger and WordPress price plan.


Blogger


ব্লগারে ওয়েবসাইট শুরু করার জন্য আপনাকে শুধু একটি ডোমেইন ক্রয় করতে হবে।

ডোমেইন টি আপনি থার্ড পার্টি ডোমেইন রেজিস্ট্রার কম্পানি থেকে ক্রয় করে নিতে পারেন।

যেমন Namecheap, domain.com, godaddy.com, bluehost.com, and more.

এবং আপনি চাইলে গুগল থেকেও ডোমেইন ক্রয় করতে পারবেন।

ব্লগারে আপনার এই ডোমেইন টি ক্রয় করার জন্য ইনভেস্ট করতে হবে।

আপনি Namecheap থেকে ৮ থেকে ১৩ ডলারের মধ্যে একটি ডোমেইন ক্রয় করতে পারেন।




আপনার আরো একটি খরচ হতে পারে তা হলো আপনি যদি প্রিমিয়াম থিম ক্রয় করেন।

সেটা ভিবিন্ন থিমের ভিবিন্ন দামের উপর নির্ভর করে।

WordPress price plan


ওয়ার্ডপ্রেস যেহেতু self hosted ওয়েবসাইট তৈরি করতে দেয় সেই ক্ষেত্রে এখানে আপনার কিছু এক্সট্রা খরচ হতে পারে।

এখানে আপনি যা ক্রয় করবেন সেটাই আপনার সম্পদ।

এখানে আপনাকে প্রথমে ব্লগটি লাইভ করতে ডোমেইন এবং হোস্টিং ক্রয় করতে হবে।

ওয়ার্ডপ্রেস রিকোমেন্ড করে Bluehost, dreamhost, siteground হোস্টিং কম্পানি তে হোস্ট করার জন্য।




আপনি এছাড়াও যে কোনো ওয়েব হোস্টিং কম্পানি থেকে হোস্টিং ক্রয় করতে পারেন।

মাসিক ১ ডলার থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত হোস্টিং ক্রয় করার সুযোগ আছে। 

মজার ব্যাপার হলো প্রতিটা হোস্টিং কম্পানি ওয়ান ক্লিক ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করার সুযোগ রেখেছে।




In fact: বিশ্বে যত ওয়েবসাইট আছে তার মধ্যে ৪৪% ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা ডেভেলপ করা হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হলো Microsoft, BBC America, new york time.

আপনি ঠিক করেন আপনি প্রতি বছরে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট এর পিছনে কত ডলার ইনভেস্ট করবেন।

আপনি প্রতি বছর ২ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ইনভেস্ট করতে পারেন।

এখানে প্রিমিয়াম থিম, প্লাগিন ক্রয় করার সুযোগ আছে।

যা ব্যবহার করে আপনি আপনার ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগ কে অনেক সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে পারবেন।

আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে আমার How to start a blog bangla এই পোস্ট টি দেখে আসতে পারেন।